বাদাম কেন প্রতিদিন খাওয়া উচিত?

প্রতিদিনের বিভিন্ন আড্ডায় বা সন্ধ্যার হালকা নাস্তায় বাদাম আমাদের নিত্যদিনের খাবারের অংশ। এটি একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে থাকে উচ্চমাত্রায় আমিষ। এটি এক প্রকার আঁশজাতীয় খাদ্যের মধ্যেও পড়ে।

এছাড়াও এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেহের জন্য উপকারী স্নেহজাতীয় পদার্থ ও ফ্যাটি এসিড। এতে ক্ষতিকর স্নেহ পদার্থ তেমন একটা থাকে না বললেই চলে। এছাড়াও এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন ই এবং ম্যাগনেসিয়াম।

বিভিন্ন ধরনের বাদাম

বিভিন্ন রকমের বাদামের ছবি
বিভিন্ন রকমের বাদাম

প্রকৃতিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বাদাম। তবে সব আমাদের কাছে তেমন পরিচিত নয়। বাদামের অনেক ধরন রয়েছে। যেমন:

প্রায় সকল ধরনের বাদামেই রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যকর উপাদান। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। স্বাদে ও গুণে এ সকল বাদামই একটি থেকে অন্যটি ভিন্ন হয়। এবার কিছু বাদামের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা যাক।

কাঠ বাদাম খাওয়ার নিয়ম উপকারিতা 

ইংরেজিতে Almond নামে পরিচিত বাদামটিই হল কাঠ বাদাম। এই বাদামের উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের ধারণা থাকলেও এর অনন্য পুষ্টি গুণ আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি উপকার করে।

খাওয়ার নিয়ম

কাঠ বাদাম
কাঠ বাদাম

অনেক উপকারী এই কাঠ বাদাম কিভাবে খাবেন? এটি কাঁচা কিংবা ভিজিয়ে রেখে দুই ভাবেই খাওয়া যায়। তবে ভিজিয়ে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায় বলে অনেক পুষ্টিবিদ মনে করেন। কারণ, সারা রাত ভিজিয়ে রাখার ফলে এর মধ্যে কিছু এনজাইম সক্রিয় হয়ে যা হজমে সাহায্য করে।

তবে ভিজিয়ে বা কাঁচা যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন তা অবশ্যই সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিৎ। কারণ এটি অধিক পুষ্টিও ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্য।

উপকারিতা 

এই বাদাম একটি উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার। তবে এই চর্বি বা ফ্যাট হলো দেহের জন্য উপকারী। এরা মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট নামেও পরিচিত। এই ধরনের চর্বি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে হার্ট বা হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখে। এছাড়া –

  • প্রোটিন রয়েছে যা দেহের চাহিদা পূরণ করে।
  • রয়েছে ভিটামিন ই যা দেহের ত্বক ও চুলের উপকার করে।
  • ক্যালসিয়াম ও আয়রনের চাহিদা পূরণেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।
  • ম্যাগনেসিয়াম থাকায় দেহে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে যা ডায়বেটিস রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • তাছাড়াও এই বাদাম খেলে সহজে ক্ষুধা লাগে না। দেহের ওজন কমাতেও এর ভূমিকা রয়েছে।

পেস্তা বাদাম খাওয়ার নিয়ম উপকারিতা

সুস্বাদু একটি বাদামের নাম হল পেস্তা বাদাম। বিভিন্ন তরকারিতেই আমরা এটি বেশির ভাগ সময় দিয়ে থাকে। পেস্তা বাদাম পেস্ট করে দিলে তরকারির স্বাদ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। সুস্বাদু এই বাদামেরও রয়েছে অনেক উপকারিতা।

খাওয়ার নিয়ম:

যখন তখন না খেয়ে কিছু নিয়ম অনুসরণ করে পেস্তা বাদাম খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাই অযথাই যখন তখন না খেয়ে নিয়ম অনুসরণ করে পেস্তা খান।

  • সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই বাদাম খেলে এর সম্পূর্ণ পুষ্টি পাওয়া যায়, এতে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে উঠে পেস্তাবাদাম খাওয়া ভালো।
  • এছাড়াও লবণ ছাড়া কাঁচা খেলে এই বাদামের উপকারিতা পাওয়া যায়। লবণ দিয়ে খেলে এর পুষ্টি গুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
পেস্তা
পেস্তা বাদাম

উপকারিতা

  • এই বাদাম দেহের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
  • দেহের প্রোটিনের অভাব পূরণ করে
  • অনেক পুষ্টিসমৃদ্ধ, চর্বির পরিমাণ একদমই কম বা নেই বললেই চলে।
  • ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে অনেক কার্যকরী।
  • ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
  • একটি অত্যন্ত ভিটামিন যুক্ত খাবার। এতে ভিটামিন বি৬ সহ অন্যান্য ভিটামিনও রয়েছে।
  • দেহের মাংপেশীর শক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকর।
  • এছাড়াও চোখের ছানি পড়া ও দেহের রক্ত দূষিত হওয়া প্রতিরোধেও এই বাদামের ভূমিকা রয়েছে।

চিনা বাদাম খাওয়ার নিয়ম উপকারিতা

আমাদের দেশের খুবই পরিচিত একটি বাদাম হল চিনাবাদাম। ইংরেজিতে Peanut নামে পরিচিত এই বাদাম। নাম চিনা বাদাম হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু চীন দেশে নয়। এর উৎপত্তি হল দক্ষিণ আমেরিকায়। বেশ পুষ্টিসমৃদ্ধ এই বাদাম মানুষের অনেক উপকার করে থাকে। এর উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যাক।

খাওয়ার নিয়ম

চিনা বাদামের ছবি
চিনা বাদাম

চিনা বাদাম খাওয়ারও কিছু নিয়ম রয়েছে। এ সকল নিয়ম মেনে খেলে এই বাদামের উপকারিতা পুরোপুরি পাওয়া যায়।

খোসা ছাড়িয়ে শুধুমাত্র ভেতরের অংশই খাওয়া উচিৎ। আবার বাদামকে ভেজে নিয়ে সালাদ বা ডেজার্টের সাথে খাওয়া যায়। চাইলে কোনো দুগ্ধজাত খাবারের সাথে এটি ভেজে খাওয়া যায়।

এছাড়া সেদ্ধ করে খাওয়া যায়। সেদ্ধ চিনা বাদামের পুষ্টি গুণ ঠিক থাকে। চাইলে মাখন দিয়েও চিনা বাদাম খাওয়া যায় কিংবা এই বাদামের তেল বানিয়েও খেতে পারেন। এমনকি ভর্তা করেও খাওয়া যায়।

উপকারিতা

  • স্বাস্থ্যের জন্য প্রাণিজ আমিষের চেয়ে উদ্ভিদজাত আমিষের উপকার অনেক বেশি। আর চিনা বাদাম হল উদ্ভিদজাত আমিষের অন্যতম একটি উৎস। এটি দেহের আমিষের চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করে।
  • দেহের রক্তনালীকে সচল রাখে, রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে।
  • দেহকে কর্মক্ষম করে তোলায় এই বাদামের ভূমিকা রয়েছে।
  • এই বাদামে রয়েছে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা দেহের জন্য উপকারী ফ্যাটি এসিড।
  • রয়েছে ফাইবার বা আঁশ যা মানুষের হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখে। এছাড়াও ফাইবার জাতীয় খাবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। স্ট্রোক, ডায়বেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।
  • রক্তে সুগারের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই বাদাম।
  • দেহের বিপাক ক্রিয়াকে সচল রাখে।
  • এছাড়াও দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতেও এই বাদামের জুড়ি নেই।
  • তাছাড়া পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায় এই বাদাম এবং অন্যান্য আরো অনেক রোগের ঝুঁকিও কমায়।

কাজুবাদাম খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

তাজা কাজু
তাজা কাজুবাদাম

শরীরে উপকারিতার দিক থেকে কাজুবাদাম খাওয়ার উপকার অনন্য। কাজুবাদাম একটি অত্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। এর উপকারিতা অনেক। দেহের রক্তসঞ্চালন যেমন স্বাভাবিক হয় তেমনি ব্লাড প্রেশারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এছাড়াও চুলের উপকারেও এই বাদামের ভূমিকা রয়েছে এবং হৃৎপিন্ডকেও সুস্থ রাখে কাজুবাদাম। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

খাওয়ার নিয়ম

কাজুবাদাম খাওয়ার বিশেষ কোনো নিয়ম নেই। চাইলে সকালে খালি পেটেও কাজুবাদাম খাওয়া যায় আবার ভরপেটেও চাইলে খাওয়া যায়।

তবে হালকা ক্ষুধা লাগলে যেকোনো সময় এই বাদাম খাওয়া যায়। এতে অন্য খাবারের চেয়ে বেশি পুষ্টিও পাওয়া যায় আবার পেটও ভরা থাকে।

আখরোট খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

বিভিন্ন রকম বাদামের মধ্যে অন্যতম একটি হল আখরোট। অন্য যেকোনো বাদামের চেয়ে এটি অনেক বেশি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি খাদ্য। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা থেকে শুরু করে হৃৎপিন্ডের সুস্থতা কিংবা ত্বক ও চুলের যত্নেও এই বাদামের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

খাওয়ার নিয়ম

রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে আখরোট খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও দুধ কিংবা মধুর সাথে মিশিয়েও খাওয়া যায়। এতে পুষ্টি ও স্বাদ দুটোই বেড়ে যায়।

যে কারণে প্রতিদিন খাবেন

বাদাম একটি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার৷ এতে রয়েছে অনেক অনেক পুষ্টি গুণ। কম খরচেই চাইলে প্রতিদিনের জল খাবার হিসেবে এটি খাওয়া যায়। প্রতিদিন এই খাবার খেলে পাওয়া যায় বিভিন্ন উপকার। প্রতিদিন খাওয়ায় যে উপকার পাওয়া যাবে:

  • রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
  • হৃৎপিন্ড সুস্থ থাকবে।
  • রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
  • শারীরিক বিকাশ বাড়বে।
  • দেহের হাড় শক্ত ও মজবুত হবে।
  • স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে।
  • শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যাবে।
  • বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমবে।
  • ডায়বেটিস রোগীর সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
  • গর্ভবতী নারী খেলে সন্তানের অ্যাজমার ঝুঁকি কমে।
  • এছাড়াও মানুষের হতাশা কমাতেও ভালো কাজ করে।

বাদাম তেলের উপকারিতা

 বাদাম তেল
বাদাম তেল

বাদাম যেমন উপকারী তেমনি এর তেলও অনেক উপকারী। এই তেল হার্টকে যেমন সুস্থ রাখে তেমনি অন্য উপকারও করে। এই তেলের কিছু উপকারিতা জেনে নিই:

  • রক্তের কোলেস্টেরল কমায় এবং হার্টকে সুস্থ রাখে।
  • দেহের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • ত্বকের বলিরেখা, রুক্ষ ত্বক ইত্যাদি সমস্যা দূর করে।
  • চোখের নীচে কালো দাগ পড়লে বাদাম-তেল লাগিয়ে এ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।
  • চুলকে সুন্দর ও ঘন করে তোলে।
  • এছাড়াও এই তেল চুলে ঝরে পড়া রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।
  • ডায়বেটিসের সমস্যায়ও এই তেল কার্যকর। দেহের সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই তেল।

বাদাম ভর্তা রেসিপি

বাদাম দিয়ে ভর্তা তৈরি করেও খাওয়া যায়। এটি একটি মুখরোচক খাদ্য। এবার জেনে নিই কিভাবে এটি বানাবো বা এর রেসিপি।

উপকরণ

  • ভাজা বাদাম ১ কাপ খোসা ছাড়া (চিনাবাদামই ব্যবহৃত হয় এক্ষেত্রে বেশি)
  • আধা কাপ পেঁয়াজ কুঁচি
  • ২-৩ কোয়া রসুন কুঁচি
  • সরিষার তেল পরিমাণ মতো
  • শুকনা মরিচ পরিমাণ মতো
  • কাঁচা মরিচ ২-৩ টি
  • ধনেপাতা ও লবণ পরিমাণ মতো।

রেসিপি

ভাজা বাদাম বেটে নিয়ে এর সঙ্গে অন্য সব উপকরণ মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিলেই প্রস্তুত হয়ে যায় মুখরোচক ভর্তা। গরম গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা দারুণ এক খাবার।

ক) গর্ভাবস্থায় বাদাম কেন খাবেন?

অনেকের ধারণা মতে, গর্ভাবস্থায় বাদাম খাওয়া ভালো নয়। কারণ তারা মনে করে এতে শিশুর এলার্জির সমস্যা হতে পারে। কিন্তু এটি আসলে ভুল ধারণা। বেশ কিছু গবেষণায় এটি প্রমাণিত যে, গর্ভাবস্থায় এটি খেলে শিশুর এলার্জির ঝুঁকি তো নেই-ই, উল্টো গর্ভের শিশুর এলার্জির ঝুঁকি কমায়।

এছাড়াও গর্ভাবস্থায় খেলে শিশুর বিকাশ দ্রুত হয়। গর্ভবতী মায়ের দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে বাদাম। ফলে দেহে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় না। এছাড়াও দেহে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে। ক্লান্তি, মাইগ্রেন এসকল সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। উচ্চ রক্তচাপ দূর করে। সুতরাং, বোঝাই যাচ্ছে যে, গর্ভাবস্থায় বাদাম খাওয়া ভালো।

খ) বাদাম কি ওজন কমায়?

বাদামে অনেক চর্বি থাকে বলে অনেকে ভাবেন ওজন বাড়াতে পারে। কিন্তু আসলে বাদামে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, ফাইবার ইত্যাদি উপাদান দেহের ওজন বাড়ায় না বরং মানুষের ক্ষুধা কমায়। ফলে মানুষ অন্য খাবার সহজে খেতে চায় না। আর এই কম খাওয়ার ফলে দেহের ওজন কমে। অর্থাৎ, বলা যায়, বাদাম ওজন কমায়।

গ) বাদাম খেলে কি ওজন বাড়ে?

বাদাম খেলে ওজন বাড়ে এই ধারণা ভুল। মূলত ওজন কমাতেই সাহায্য করে। তবে প্রতিদিন যদি এক কেজি খান সেক্ষেত্রে ওজন বাড়তেও পারে!

ঘ) কাঁচা বাদাম খাওয়ার উপকারিতা কি?

এর উত্তর হলো আছে। কাঁচা খেলে এ থেকে পরিপূর্ণ পুষ্টি পাওয়া যায়। এছাড়াও কাঁচা বাদাম বাড়ন্ত শিশু কিংবা গর্ভবতী মহিলার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করে। তাছাড়াও এটি কোলন ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার এমনকি হার্টের রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এছাড়াও এর আরো অনেক উপকার রয়েছে।

পরিশেষে-

উপরের আলোচনা থেকে বোঝাই যাচ্ছে, এটি একটি অত্যন্ত উপকারী খাদ্য। এর রয়েছে অনেক উপকারী গুণ। সকল প্রকারের বাদামেরই রয়েছে অনেক পুষ্টি গুণ। অপরদিকে এর ক্ষতিকর দিক তেমন নেই বললেই চলে।

একদিকে যেমন আমাদের আমিষের চাহিদা মেটায় অপরদিকে তেমনি দেহের ক্যালসিয়ামের অভাবও দূর করে। সব মিলিয়ে বাদামকে একপ্রকার কমপ্লিট প্যাকেজ বলা যায়। তাই চাইলে আপনিও কাল থেকেই শুরু করে দিতে পারেন প্রতিদিন বাদাম খাওয়া। এতে শরীর ও স্বাস্থ্যের উপকার বৈ ক্ষতি হবে না।

আরও পড়তে পারেনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.